Breaking News

‘হাউডি মোদী’র পরই ভোলবদল ট্রাম্পের, ইমরানের সুরেই দিলেন মধ্যস্থতার বার্তা!

সংবাদ সারাদিন, ওয়েবডেস্ক: ‘হাউডি মোদী’র মঞ্চ থেকে নাম না করে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদীদের আখড়া বলেছিলেন মোদী’। ট্রাম্পকে সাক্ষী করে সন্ত্রাস দমনে ভারত অগ্রণী ভূমিকা নেবে বলেও জানান মোদী। ট্রাম্পও সন্ত্রাস বাদের বিরুদ্ধে যৌথ লড়াইয়ের ডাক দেন। কিন্তু, সেই বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভোলবদল করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করে ট্রাম্প বললেন, তিনি পাকিস্তানকে বিশ্বাস করেন। এবং ভারত ও পাকিস্তান চাইলে তিনি কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতা করতে পারেন।

‘হাউডি মোদী’র পর সোমবারই ইমরানের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকে পাক প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি পাকিস্তানের উপর ভরসা করি। আমি চাই কাশ্মীরে সবাই ভাল থাক। প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং প্রধানমন্ত্রী ইমরান, দু’জনের সঙ্গেই আমার ভাল সম্পর্ক। ওঁরা যদি দু’জনেই বলেন যে আমাদের একটা সমস্যা আছে। তাহলে আমি সেই সমস্যা দূর করতে রাজি আছি। আমি খুবই ভাল মধ্যস্থতাকারী।” এর আগেও একাধিকবার ট্রাম্প ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রথমবার তিনি বলেন, খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদীই নাকি তাঁকে মধ্যস্থতা করতে অনুরোধ করেছেন। যদিও নয়াদিল্লি পরে সাফ জানিয়ে দেয়, কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক ইস্যু, এতে ট্রাম্পের নাক গলানোর কোনও কারণ নেই।

‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইসলামিক মৌলবাদ নিয়ে সরব হন। ট্রাম্পও তাঁর সুরে সুর মেলান। কিন্তু ইমরানের সঙ্গে বৈঠকে ঠিক তাঁর উলটো কথা বললেন ট্রাম্প। তিনি জানালেন, “কাল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শুনলাম বেশ আক্রমণাত্মক কথা বলতে। আমি সেটা আশা করিনি।” এককথায় হাউডি মোদীতে ট্রাম্প যা বলেছিলেন, একদিনের মধ্যে ঠিক তাঁর উলটো কথা বললেন। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্প যদি মোদির উলটো কথায় বলবেন, তাহলে এত ঘটা করে তাঁর হয়ে ভোট চেয়ে কূটনৈতিকভাবে ভারত কী পেল? নয়াদিল্লি অবশ্য এখনই উতলা হচ্ছে না। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রাবীশ কুমার দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বললেন, “একটু অপেক্ষা করুন। আগামিকাল আরও একটি বৈঠক আছে।” (তথ্য সৌজন্যে: প্রতিদিন)