Breaking News

বিশ্বের দরবারে মুখোশ শিল্প তুলে ধরতে কুশমণ্ডিতে মুখা মেলা

সংবাদ সারাদিন, কুশমণ্ডি: মাত্র ২৭ জন থেকে পথ চলা শুরু হয়েছিল কুশমণ্ডির মহিষ বাথানের। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র জেলা নয় মহিষ বাথানের মুখোশ শিল্পের খ্যাতি আজ জেলা ছাড়িয়ে দেশ বিদেশে ছড়িয়েছে। মুখোশ শিল্পকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে এবারও মুখা মেলার আয়োজন করেছে মহিষ বাথান গ্রামীণ হস্তশিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড। সহযোগিতা করছেন বাংলা নাটক ডট কম, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদি ও গ্রামীণ শিল্প পর্যদ। ষষ্ঠতম বর্ষে পা দিল কুশমণ্ডির মুখা মেলা। চলবে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলাকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক দিন চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রাচীন শিল্পকলা মুখোশ শিল্পের সঙ্গে কুশমণ্ডির মহিষ বাথানের প্রায় কয়েক হাজার পরিবার যুক্ত আছে। কিন্তু, প্রাচীন এই শিল্পের অবস্থা করুণ হলেও বর্তমানে সরকার এই শিল্পের উপর বিশেষ নজর দিয়েছে। একটা সময় এই পেশার সঙ্গে যুক্ত বেশির ভাগ মানুষ পেট চালানোর জন্য ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতে চলে যেত। তবে বিশ্বের বাজারে এই শিল্প বিশেষ খ্যাতি অর্জন করায় ফের একবার নতুন প্রজন্ম এই শিল্পমুখ হয়েছে।

মহিষ বাথান গ্রামীণ হস্তশিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেডের সম্পাদক পরেশ চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, ২০১৩ সাল থেকে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ও মুখোশ শিল্পকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তারা এই ধরনের মেলার সূচনা করছেন। তবে বর্তমান রাজ্য সরকার প্রাচীন এই শিল্পকলাকে পুনরুজ্জীবিত করতে শুরু থেকেই তৎপর হয়েছেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের এই শিল্পের উন্নতির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এক গুচ্ছ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিল্পীদের পরিচয় পত্র থেকে ভাতার ব্যবস্থা করেছে সরকার। শুধু মাত্র জেলা, রাজ্য বা দেশ নয় কুশমণ্ডির মহিষ বাথানের এই মুখোশ শিল্প আজ বিশ্বের দরবারে পৌঁছে গেছে। এর জন্য রাজ্য সরকার ও বাংলা নাটক ডট কম সর্বত্র ভাবে সাহায্য করেছে মেলায় ২৫ টির বেশি স্টল রয়েছে। যেখানে শিল্পীদের হাতের তৈরি নানা মুখোশ বিক্রি হচ্ছে। এবার ষষ্ঠতম বর্ষে পড়ছে মুখা মেলা বলে পরেশবাবু জানান।