Breaking News

বালুরঘাটে ঝুলে থাকা ব্রিজ দিয়েও চলছে যাতায়াত, বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

সংবাদ সারাদিন, বালুরঘাট: গত বৃহস্পতিবারই বালুরঘাট ফুটব্রিজের একাংশ ভেঙে পড়ে বসে যায়। তড়িঘড়ি বালুরঘাট পৌরসভা ও পুলিশের পক্ষ থেকে ফুটব্রিজের দু’পাশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে ফুটব্রিজ বন্ধ করে দিল তার উপর দিয়েই ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়ত করছে সাধারণ মানুষ। এর ফলে আশঙ্কা থেকেই যায় বড়সড় দুর্ঘটনার। এদিকে বিষয়টি নজরে আসতে ব্রিজের দু’পাশে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পথচলতি মানুষদের ব্রিজের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে নিষেধ করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রায় এক যুগ আগে বাম আমলে বালুরঘাট পৌরসভার পক্ষ থেকে বালুরঘাট ডাকবাংলােপাড়া ও গীতাঞ্জলি মধ্যে আত্রেয়ী খাড়ির উপর ফুটব্রিজটি তৈরি করা হয়। ব্রিজটি হওয়ার ফলে খুব তাড়াতাড়ি ও কম সময়ে গীতাঞ্জলি বাজারে যাওয়া যেত। অভিযােগ, বাম আমলে ফুট ব্রিজটি তৈরি করা হলেও পরে তার আর সেভাবে কোনদিন সংস্কার করা হয়নি। এর ফলে ব্রিজের একাধিক জায়গায় রেলিং ভেঙ্গে যায়। একরকম ভগ্নদশায় পরিণত হয় ব্রিজটি। বছর খানেক আগে সংবাদ মাধ্যমে বেহালদশা খবরটি প্রকাশ হওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে বালুরঘাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ফুট ব্রিজের উপর দিয়ে মােটর বাইক বা টোটো চলাচল বন্ধ করতে নির্দেশিকা জারি করা হয়। এমনকি ব্রিজের দু’পাশে কংক্রিটের ব্যারিকেড দিয়ে দেওয়া হয়।

কিছুদিন যেতেই সে ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে যাতায়াত শুরু করে সাধারণ মানুষ। প্রতিনিয়ত মােটরবাইক ও টোটো এই ফুট বিষয়ের উপর দিয়ে যাতায়াত করত। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথমবার ব্রিজটির একাংশ ভেঙে বসে যায়। বিকেলের দিকে দ্বিতীয়বার ঝাঁকুনি দিয়ে ব্রিজটি আরও বসে এবং ঝুঁকে যায়। ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ব্রিজে লোহার রড পাকাপাকি ভাবে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপরও পুলিশের ব্যারিকেড ও আটকানো লোহা টপকে যাতায়াত করছে সাধারণ মানুষ। এর ফলে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা।

এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আরতি বসাক জানান, ব্রিজ ভেঙে যাচ্ছে। তাও লোক ওর উপর দিয়ে যাতায়াত করছেই। এর আগে কংক্রিটের দেওয়া দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তা ভেঙে দিয়ে যাতায়াত শুরু করে। আবার এখনো পুলিশের ব্যারিকেড ও লোহা দিয়ে ঘেরা রয়েছে। তাও তার উপর দিয়ে লোক যাতায়াত করছে। মানুষই যদি নিজের ভাল না বোঝে তাহলে কি করার আছে।

অন্য দিকে বালুরঘাট থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খবর পেয়েই ব্রিজের দু’পাশে সিভিক ভলেন্টিয়ার মোতায়ন করা হয়েছে। যাতে এই ব্রিজের উপর দিয়ে কেউ যাতায়াত না করে।