Breaking News

জনসংযোগ বাড়াতে বালুরঘাটের বিধায়ক সহ বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ দিলীপের

সংবাদ সারাদিন, বালুরঘাট: জনসংযোগ বাড়াতে রবিবার সকালে বালুরঘাটের বিধায়ক বিশ্বনাথ চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি এদিন বালু্রঘাট শহরের দু’জন আইনজীবী ও দু’জন চিকিৎসকের সঙ্গেও তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। রাজনৈতিক কারণ নয় সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই এদিন বালুরঘাটের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেন বলে জানান দিলীপ ঘোষ। যদিও এদিন বিধায়ক বিশ্বনাথ চৌধুরী ও অন্যান্য বিশিষ্টজনদের সঙ্গে তার দেখা করা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

প্রসঙ্গত, দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে শনিবার রাতেই বালুরঘাটে আসেন দিলীপ ঘোষ। রাতে বালুরঘাটের একটি বেসরকারি লজে রাত্রিবাসও করেন। এরপর রবিবার সকালে চকভৃগু পর্যন্ত প্রাতঃভ্রমণ করেন। সেখান থেকে বালুরঘাট থানা মোড়ে ‘চায়ে পে চর্চা’ সেরে জনসংযোগ বাড়াতে বালুরঘাট কলেজপাড়া এলাকার চিকিৎসক রামেন্দু ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন।

সেখান থেকে আবার বালুরঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিশিষ্ট আইনজীবী শেখর দাশগুপ্তর সঙ্গে দেখা করে চলে যান উত্তমাশা এলাকায়, সেখানে বালুরঘাট জেলা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিদ্যুৎ রায়ের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর সোজা চলে আসেন বালুরঘাটের বিধায়ক তথা আরএসপি রাজ্য সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরীর বাড়িতে। বিশ্বনাথবাবুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ওনার শারীরিক অবস্থা কেমন আছে তার খোঁজখবরও নেন।

এখানেই শেষ নয়, এরপর বালুরঘাটের বিশিষ্ট চিকিৎসক দেবব্রত ঘোষের চেম্বারেও যান তিনি এবং চিকিৎসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই জনসংযোগ পর্ব শেষ হতেই বালুরঘাট কল্যাণী ঘাট এলাকায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ে এসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন দিলীপ ঘোষ। সেই সঙ্গে তিনি আসন্ন বালুরঘাট পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি বেসরকারি অনুষ্ঠান ভবনে বৈঠক করেন। শেষে বুনিয়াদপুরে দলীয় সভায় যোগ দেওয়ার জন্য রওনা দেন।

এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, সিএএ-র সমর্থনে জনসম্পর্ক বাড়াতে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন চলছে। আজ রবিবার বালুরঘাট এসেছেন। তাই এখানকার বিশিষ্টজনদের সঙ্গেও দেখা করেন এবং তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পাশাপাশি মতামত বিনিময় করেন। এদিন বালুরঘাটের দু’জন বিশিষ্ট আইনজীবী , দু’জন চিকিৎসক এবং বালুঘাটের বিধায়কের সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়াও আসন্ন বালুঘাট ও গঙ্গারামপুর পৌরসভা নিয়ে দলীয় কর্মীদের নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠকও হয়েছে।

পাশাপাশি এনআরসি ও সিএএ-র প্রতিবাদে দার্জিলিংয়ে মুখ্যমন্ত্রীর করতাল বাজিয়ে প্রচারকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখন আর লোক আসছে না, তাই নাটক করে লোক আনতে হচ্ছে। তারাও বাজনা বাজাবেন নির্বাচনের সময়। সেটা বুঝতে পারবেন উনি।

অন্যদিকে এবিষয়ে বালুরঘাটের বিধায়ক তথা আরএসপির রাজ্য সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরী জানান, দিলীপ ঘোষ কোন রাজনৈতিক আলোচনা করতে আসেননি। উনি নিজে একসময় বিধায়ক ছিলেন। সেই সুবাদে বিধানসভায় দেখা হত। তবে দীর্ঘদিন আর তাদের দেখা হয়নি। উত্তরবঙ্গে থাকায় তার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন দিলীপবাবু। তাই আজ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন দিলীপ ঘোষ। এসে তাকে প্রণাম করে তার শরীরের খোঁজখবর নেন। বালুরঘাট সংস্কৃতির শহর তাই এখানে একে অপরের খোঁজ নিতে আসেন। আর এতে রাজনীতির কোন ব্যাপার নেই।