Breaking News

নদীর জলের তোড়ে ভাঙল পুনর্ভবার বাঁধ, প্লাবিত তপনের একাধিক গ্রাম

সংবাদ সারাদিন, তপন: নদীর জলের তোড়ে ভাঙল পুনর্ভবার বাঁধ। আর তার জেরে প্লাবিত তপন ব্লকের রামপাড়া চ্যাঁচড়া এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রাম। এদিকে জেলার অন্যান্য নদীগুলিতেও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে জল।

এর ফলে দিন দিন বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। এদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে সব রকমভাবে প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন। বালুরঘাটের বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলির মধ্যে তিনটি ফ্লাড সেন্টার পরিদর্শন করেছেন বালুরঘাট ব্লকের বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

প্রসঙ্গত, ভারী বৃষ্টিপাতের জন্য গত সপ্তাহ থেকে উত্তরবঙ্গে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বিগত কয়েক দিনে বিপদ সীমা ছুঁয়ে ফেলেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আত্রেয়ী, পুনর্ভবা ও টাঙন নদীর জল ।

প্রতিটি নদী বাঁধ বরাবর জল বইছে নদীতে। এদিকে সোমবার সকালে জলের তোরে তপন ব্লকের রামপাড়া চ্যাঁচড়া ও রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পুনর্ভবা বাঁধ ভেঙে নওগা, সুকদেবপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পরে।

এদিকে বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীও ফুলে ফেঁপে উঠছে। বালুরঘাট ব্লকের ডাঙা, ভাটপাড়া, জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় জল ঢুকতে শুরু করেছে। এদিকে বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি রয়েছে জেলা প্রশাসন।

এবিষয়ে জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকভাতশালা এলাকার বাসিন্দা সুদেব মহন্ত জানান, বিগত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আত্রেয়ী সহ জেলার অন্যান্য নদীর জল বেড়েছে। বর্তমানে তাদের দিকে জল ঢুকতে শুরু করেছে। দিন দিন বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এমতাবস্থায় তারা আতঙ্কিত রয়েছেন।

এবিষয়ে বালুরঘাট ব্লক বিডিও অনুজ সিকদার জানান, ইতিমধ্যে তিনি ফুলঘড়া, কালিকাপুর ও ডাকরা এলাকার তিনটি ফ্লাড সেন্টার পরিদর্শন করেছেন। সেগুলি ভালো অবস্থাতেই রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তারাও সজাগ রয়েছেন।

অন্যদিকে এবিষয়ে জেলা সেচ দফতরের নির্বাহী বাস্তুকার স্বপন বিশ্বাস বলেন, “বালুরঘাট মহকুমার আত্রেয়ী ও যমুনার জলস্তর আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আত্রেয়ীর জল বিপদসীমা থেকে ১ মিটার নিচে রয়েছে। গঙ্গারামপুর মহকুমার পূর্ণভবা ও টাঙন নদীর জল বিপদসীমা পেরিয়ে গিয়েছে। তবে আরও জল বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কোথাও আত্রেয়ীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা নেই। তবুও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।”