Breaking News

বিয়ে বাড়িতে মদ খাওয়া নিয়ে বচসার জের, গঙ্গারামপুরে গুলিবিদ্ধ মালদার যুবক

সংবাদ সারাদিন, গঙ্গারামপুর: বিয়ে বাড়িতে মদ খাওয়া নিয়ে বচসা। আর তার জেরে চলল গুলিও। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ এক যুবক। আহত যুবকের নাম রঞ্জন দাস(৩২)। বাড়ি ইংরেজবাজার থানার বাছামারি এলাকায়।

বুধবার ভোররাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গঙ্গারামপুর থানার ঝিলডিংড়ি এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে গঙ্গারামপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

এদিকে গুলিবিদ্ধ যুবককে প্রথমে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ও পরে কলকাতায় রেফার করে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে৷ গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, দিন দুয়েক আগে ওই এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। বুধবার রাতে তার খাওয়াদাওয়া ছিল। অভিযোগ, দু’দিন আগেই সুমন দাস, রঞ্জন দাস, দুলু রায় ও দেবাশিস রায় একসঙ্গে বসে মদ্যপান করছিলেন। মদ্যপান করার সময় শুরু হয় বচসা। ওইদিন রাতে বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেয় তারা।

অভিযোগ, বুধবার রাতে ওই বিয়ে বাড়ির খাওয়া দাওয়ার অনুষ্ঠান ছিল। ভোর রাতে অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে ফেরার পথে রঞ্জন দাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুলু রায়। গুলি লাগে রঞ্জন দাসের পশ্চাৎদেশে। রঞ্জন দাস তার মামা অনিল চন্দ্র দাসের বাড়ি এসেছিলেন।

এদিকে খবর পেয়ে এদিনই ভোর রাতে ঘটনাস্থলে যায় গঙ্গারামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।

এবিষয়ে আক্রান্তের রঞ্জন দাসের মামা অনিল চন্দ্র দাস জানান, তার ছেলে সুমন দাসকে মারার জন্যই গুলি চালিয়েছিল। কিন্তু সেই গুলি লাগে তার ভাগ্নেকে। পাড়ার এক বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময়ও হামলা চালায় অভিযুক্তরা। কোনরকমে সেখান থেকে পালিয়ে বিয়ে বাড়িতে চলে যান৷

সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা লুকিয়েছিল এবং সেই সময়ই গুলি চালায়। বর্তমানে তার ভাগ্নে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় যারা যুক্ত রয়েছে তারা সকলেই সমাজ বিরোধী।

এনিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি৷

অন্যদিকে গঙ্গারামপুর থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অভিযোগ পেয়েছেন। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছেন তারা।

অন্যদিকে, গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিশ শাসক দ্বীপ কুমার দাস জানান, গতকাল ওই এলাকায় একটি ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তারা। আক্রান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছেন তারা।