Breaking News

নিখোঁজ ৪ শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দিলেন ইংরেজবাজার থানার পুলিশ

সংবাদ সারাদিন, ইংরেজবাজার: নিখোঁজ চার শিশুর সন্ধান পেল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে চার নিখোঁজ শিশু পরিবারের কাছে শিশুদের তুলে দেয়। নিখোঁজ শিশুদের কাছে পেয়ে পুলিশের এই ভূমিকায় প্রশংসনীয় বলে মনে করেছেন পরিবারের লোকেরা।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজবাজার শহরের উত্তর পিরোজপুর এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় ৪ শিশু। পরিবারের লোকেরা এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইংরেজবাজার থানায় নিখোঁজের বিষয় লিখিত ভাবে জানায়। সাথে সাথেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে ফেসবুক সমস্ত স্তরে পুলিশ প্রচার চালায়। তারপরই কয়েক ঘণ্টা পরই পুলিশের কাছে খবর আসে বীরভূমের লাভপুর এলাকায় শিশুগুলি তার আত্মীয়র বাড়িতে চলে যায়। পুলিশ একটি বিশেষ দিন বীরভূমের লাভপুর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে মালদায় ফিরে আসে। শুক্রবার দুপুরে তাদের পরিবারের হাতে শিশুদেরকে তুলে দেওয়া হয়।

ইংলিশবাজার থানার আইসি মদন মোহন রায় জানান, “শিশুগুলির বয়স ১৩ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। শিশুর কাছ থেকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছে তাদের মধ্যে একজনের পিসির বাড়ি বীরভূমের লাভপুর এলাকায় তার পিসির নাম রেখা বিবি। তারা সবাই একসাথে একটি বাসের পড়ে পিসির বাড়ি উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে রওনা দেয়। ৪ জনের কাছে সব মিলিয়ে ১১০ টাকা ছিল। সাথে ছিল স্কুল ব্যাগ। বাড়িতে কারও সাথে তারা কোনও কথা না বলেই এই সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা খবর পাওয়ার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ফেসবুক বিভিন্ন জায়গায় এর প্রচার শুরু করি তারপরে কিছু কয়েক ঘণ্টা পরই পুলিশের কাছে খবরটি আসারমাত্রই আমাদের একটি বিশেষ টিম বীরভূমের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এবং তারপরই শিশুগুলোকে তার আত্মীয়র বাড়ি থেকে নিয়ে শুক্রবার সকালে মালদায় ফিরে আসে পুলিশের তৎপরতায় শিশুগুলোকে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।”

এক শিশুর মাসি রেজি খাতুন বলেন, “তারা সবাই একসাথে খেলাধুলা করে রোজকার মতন এদিন সকালে তারা খেলার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয় তারপরই আরবিতে বাড়ি ফিরে আসেনা এদের মধ্যে এক শিশুর কাছে আশি টাকা ছিল আর বাকি তিন শিশুর কাছে ১০ টাকা করে ছিল সব মিলিয়ে সব টাকা তারা গাড়ির ভাড়া দিয়ে পিসির বাড়িতে চলে যায়।” শিশুগুলোকে পরিবারের লোকেরা হাতে পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন।