পাটনা থেকে বালুরঘাট শ্বশুর বাড়িতে এলেন জামাই, কোয়ারান্টাইনে না থাকায় বিক্ষোভ স্থানীয়দের

সংবাদ সারাদিন, বালুরঘাট : লকডাউনের মধ্যেই রাতের অন্ধকারে গাড়ি ভাড়া করে বিহারের পাটনা থেকে বালুরঘাটে জামাইকে নিয়ে এলেন স্ত্রী। শুধুমাত্র নিয়ে আসা নয় সোজা ঢুকে পড়েন শ্বশুর বাড়ি। বৃহস্পতিবার সকালে পাড়ায় মেয়ে জামাইকে দেখতে পেয়েই চাঞ্চল্য ছড়ায় বালুরঘাট পৌরসভার বঙ্গবাসী এলাকায়। জামাই সহ গোটা পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বালুরঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। আসে স্বাস্থ্য কর্মীরাও। যদিও জামাই এবং পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে পারেনি। পরে বিকেলে ওই পরিবারকে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার কথা বলে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেন।

জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির স্ত্রী ও শালিকা বালুরঘাট থেকে গাড়ি ভাড়া করে গতকাল ডালখোলা গিয়েছিলেন। অন্য দিকে রাতেই পাটনা থেকে ডালখোলাতে চলে আসেন জামাই। সেখান থেকে ওই জামাইকে নিয়ে আবার রাতেই তারা বালুরঘাটে ফেরেন৷ এরপর এলাকাবাসীরা স্বাস্থ্য দপ্তরে খবর দিলে স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযোগ, এদিন সকাল হতেই তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। পরে তারা বাড়ি ঢোকার সময় এলাকাবাসীরা পথ আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশ। এলাকাবাসীরা স্বাস্থ্য দপ্তরে জানালে স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয়। যদিও পরে স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘটনাস্থলে এলেও তাদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়।

এবিষয়ে এক এলাকাবাসী মন্মথ মহন্ত বলেন, “লকডাউন চলাকালীন কিভাবে তারা এখানে আসে। তারা কোয়ারেন্টাইনে না গিয়ে এলাকায় ঘুরে বেরাচ্ছে। আমরা কিছু বল্লেই রাজনৈতিক দলের কথা শোনাচ্ছে। আমরা এখানে ওদের থাকতে দেব না।”

বালুরঘাট থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, এলাকাবাসীদের বুঝিয়ে শান্ত করা যায় নি। এলাকাবাসীরা তাদের কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাওয়ার দাবি তোলেন। পরে এলাকাবাসীদের তাড়া করে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেয় পুলিশ। এরপরই পুলিশ ওই জামাই ও স্ত্রীকে বাড়িতে ঢুকিয়ে দেয়।

Spread the love