মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শখ হয়েছে, বালুরঘাটে কটাক্ষ বিজেপি নেতার

সংবাদ সারাদিন, বালুরঘাট: মুখ্যমন্ত্রী ভোটে জেতার পর প্রথমবার দিল্লি গেলেন। ওনার শখ জেগেছে প্রধানমন্ত্রী হবেন। প্রধানমন্ত্রী হতেই পারেন। এতে তাঁদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের যেভাবে ভোটে জেতার জন্য সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সেই জায়গা থেকে বাংলার মানুষদের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকা দরকার মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বাংলার মানুষের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির।

তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ মুর্শিদাবাদের চার শ্রমিক মুম্বাইয়ে গিয়ে মারা যাওয়া। মঙ্গলবার দুপুরে বালুরঘাটের কল্যাণীঘাট এলাকার বিজেপির জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে এমন ভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রথীন বসু৷ এদিনের এই বৈঠকে রথীন বসু ছাড়াও হাজির ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি বিনয় কুমার বর্মন, সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্বরা৷

আমরা বারবার দেখেছি যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মানুষ কাজের জন্য বাইরের রাজ্যে যাচ্ছে। কাজ নেই পশ্চিমবঙ্গে। পেটের তাগিদে পরিবারকে পশ্চিমবঙ্গে রেখে কাজ করতে যাচ্ছে। বিভিন্নভাবে বিপদেও পড়েছে তারা। এর আগে দেখেছিলাম কাশ্মীরের আপেল ক্ষেতে মারা গেছে।

গত শনিবার আমরা দেখলাম মহারাষ্ট্রের গোর্লিতে তিনজন লিফট দুর্ঘটনায় মারা গেছে আর একজন অসুস্থ ছিল।

আমার সবথেকে আশ্চর্য লাগে উত্তরপ্রদেশে যদি কোনও ঘটনা ঘটে মুখ্যমন্ত্রী টুইট করেন। তিনজন মারা গেলেন। পরে সম্ভবত হাসপাতালে একজন মারা গেলেন, চারজন মারা গেলেও একবারও টুইট করলেন না। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যে চামচা বেলচারা থাকেন তারাও পর্যন্ত টুইট করলেন না।তারা মোদিজিকে নিয়ে মজা করেন। তাদের শিক্ষা দিক্ষা আমাদের রুচিতে বাধে।

আমার বক্তব্য, কেন আজকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কাজের জন্য বাইরে যাবে! এখানে কাজ নেই।পঞ্জাবে যাচ্ছে এখানকার কৃষকরা কাজ করতে।উত্তরপ্রদেশে যাচ্ছে। মহারাষ্ট্রতে যাচ্ছে। গুজরাটে যাচ্ছে। কেন!

ওখানকার জমির মালিকেরা যদি আমাদের এখানকার কৃষি শ্রমিকদের তাদের ৭০০ – ৮০০ টাকা পার ডে দিয়ে তারা চাষাবাদ করে লাভ করতে পারে. তাহলে আমাদের রাজ্যে কেন হচ্ছে না।

Spread the love